সিলেট মিরর ডেস্ক
জুন ০১, ২০২৬
১১:০৪ পূর্বাহ্ন
আপডেট : জুন ০১, ২০২৬
১১:০৮ পূর্বাহ্ন
ছুটিতে হাম উপসর্গে ৫৭ শিশুর মৃত্যু
ঈদুল আজহার ছুটিতে হাম উপসর্গে ৫৭ শিশু মারা গেছে। এ সময়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে সাত হাজার ১২৭ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হামবিষয়ক তথ্য বিশ্লেষণ বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরো দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে এক হাজার ৩২৪ জন চিকিৎসা নিয়েছে, ৭৯১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং ৫৩ জনের শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে।
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে দেশে হামের প্রকোপ বাড়তে শুরু করে।
ঈদুল আজহার ছুটিতে হাম উপসর্গে ৫৭ শিশু মারা গেছে। এ সময়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে সাত হাজার ১২৭ জন।
গত ১৫ মার্চ থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নিয়মিতভাবে পরিস্থিতির তথ্য প্রকাশ করছে। অধিদপ্তরের হিসাবে, এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছে ৭০ হাজার ৯৩৬ জন। তাদের মধ্যে ৫৬ হাজার ৮৮৬ জনকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে। নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৯ হাজার ৪৯ জনের।
গত ১৫ মার্চ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত হাম ও হামের জটিলতায় ৫৮৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। প্রতি সপ্তাহে গড়ে ৪৯ জনের বেশি শিশুর প্রাণ গেছে। সর্বশেষ ১২তম সপ্তাহে (২৫-৩১ মে) মারা গেছে ৫৭ শিশু এবং আক্রান্ত হয়েছে সাত হাজার ১২৭ জন।
বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের শিশু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘বর্তমানে হামের সবচেয়ে বড় জটিলতা হলো নিউমোনিয়া। এবারের নিউমোনিয়া অনেক ক্ষেত্রে ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে এবং রোগীদের ফুসফুস মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
হামের জ্বর বা র্যাশ চলে যাওয়ার পর অনেকেই মনে করেন শিশু সুস্থ হয়ে গেছে। কিন্তু পরবর্তী চার থেকে ছয় সপ্তাহ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা খুব কম থাকে।’
জিসি / ০১