নিজস্ব প্রতিবেদক
জানুয়ারি ০৪, ২০২৬
০৮:৩৩ অপরাহ্ন
আপডেট : জানুয়ারি ০৪, ২০২৬
০৮:৩৩ অপরাহ্ন
এম এ মালেক, ফয়সল আহমদ চৌধুরী, মো. জাহিদুর রহমান ও মুজিবুর রহমান ডালিম।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীতা বাছাই শেষে সিলেট জেলার ৬টি নির্বাচনী আসনের ৫ প্রার্থীর মনোনয়ন স্থগিত ও ৭ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছিলেন নির্বাচন কমিশন। স্থগিত হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে ৪ জন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন করায় তাদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।
আজ রবিবার (৪ জানুয়ারি) সিলেটের রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম উপস্থাপিত কাগজপত্র পর্যালোচনা শেষে ৪ প্রার্থীর মনোনয়নপত্রের বৈধতা ও একজনের মনোনয়নপত্র বাতিলের ঘোষণা করেন।
সিলেট-৩ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল মালিক ও সিলেট-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী ফয়সল আহমদ চৌধুরী, সিলেট-৪ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মুজিবুর রহমান ডালিম ও সিলেট-৬ আসনে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. জাহিদুর রহমানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
বিএনপির প্রার্থী ফয়সল আহমদ চৌধুরী বলেন, ‘আয়কর রিটার্ন জমার মূল কাগজের ফটোকপি জমা দেওয়ায় আমার মনোনয়নপত্র স্থগিত করা হয়েছিল। মূল কপি সাবমিট করার পর আমার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছেন নির্বাচন কমিশন।’
তবে দ্বৈত নাগরিকত্ব সংক্রান্ত জটিলতায় স্থগিত থাকা জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির প্রার্থী এহতেশাম হকের প্রার্থীতার কাগজ না পাওয়ায় তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন। তবে এহতেশামের সামনে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। আগামী ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি আপিল করতে পারবেন।
তবে তার মনোনয়নপত্র বাতিলের ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের দক্ষতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রকারান্তরে প্রশ্ন তুলে এনসিপির প্রার্থী এহতেশাম হক বলেছেন, ‘নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আমি পূর্ণ সততা, স্বচ্ছতার সঙ্গে আমার আবেদন দাখিল করি। কিন্তু ইংল্যান্ডে এখন ছুটি থাকায় একনলেজমেন্ট দিতে না পারায়, সে অজুহাতে আমার আবেদন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন। অথচ যুক্তরাজ্য বিএনপির সদ্য সাবেক প্রেসিডেন্ট এম এ মালেক ও সাধারণ সম্পাদক কয়সর আহমদসহ অন্তত ডজনখানেক প্রার্থীর বেলা পরবর্তীসময়ে একনলেজমেন্ট এনে দেওয়ার মৌখিক প্রতিশ্রুতিতে তাদের মনোনয়নপত্রের বৈধতা দেওয়া হয়েছে। সুতরাং নির্বাচন কমিশনের দক্ষতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে আর কথা বলার কিছু নেই।
এএফ/০২