সিলেট মিরর ডেস্ক
নভেম্বর ২৯, ২০২৫
০৩:২৪ অপরাহ্ন
আপডেট : নভেম্বর ২৯, ২০২৫
০৩:২৯ অপরাহ্ন
কিশোর গ্যাংয়ের বিরোধে স্কুল ছাত্র খুন: জাহিদসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা
সিলেট নগরের বাদামবাগিচায় কিশোর গ্যাংয়ের বিরোধে স্কুল ছাত্র শাহ মাহমুদ হাসান তপু (১৫) কে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে।
শুক্রবার রাতে নিহত তপুর মা সুফিয়া বেগম বাদী হয়ে মহানগেরের বিমানবন্দর থানায় এ মামলা দায়ের করেন।
মামলায় প্রধান অভিযুক্ত মো. জাহিদ হাসানসহ তিনজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞতনামা আরও ৪/৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এসব তথ্য জানিয়ে সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (গণমাধ্যম) সাইফুল ইসলাম শনিবার বলেন, মামলায় নাম উল্লেখ করা তিনজনকে আগেই আটক করেছে পুলিশ। তারা হলো- মো. জাহিদ হাসান, মো. অনিক মিয়া ও মো. জুনেদ আহমদ।
তিনি বলেন, এই তিনজনকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আজ আদালতে তোলা হবে। বাকী আসামিদরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
শাহ মাহমুদ হাসান তপুকে বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) রাত আনুমানিক ১২টার দিকে ছুরিকাঘাত করা হয়। শুক্রবার সকালে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সে।
তপু এয়ারপোর্ট থানাধীন ইলাশকান্দি বাদামবাগিচার উদয়ন ৪০/২ আবাসিক এলাকার শাহ এনামুল হকের ছেলে ও খাসদবির উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। ৪ ভাই, ২ বোনের মধ্যে সবার ছোট তপু।
জানা যায়, অপু ও জাহিদ পরষ্পরের বন্ধু। এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের সাথে জড়িত ছিলো তারা। কিশোর গ্যাং নিয়ে বিরোধের জেরে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে তপুকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে জাহিদসহ কয়েকজন।
কিশোর গ্যাং নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণে তপুকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র সাইফুল ইসলামও। তিনি বলেন, তপু ও জাহিদ দুজন বন্ধ। দুজনই কিশোর গ্যাংয়ের সাথে জড়িত। কিশোর গ্যাংসের দুই গ্রুপের দ্বন্দ্বের কারণে এই হত্যাকান্ড।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে সাইফুল ইসলাম বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে তপু ও জাহিদসহ দুপক্ষের অনুসারীদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে জাহিদকে তপু মারধর করে। পরে তপুকে ছুরিকাঘাত করে জাহিদ।
শুক্রবার সন্ধ্যায় জানাযা শেষে তপুর দাফন সম্পন্ন হয়।
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তপুর এক বন্ধু জানায়, রাতে ঘটনার সময় তপুরা ছিলো তিনজন আর জাহিদরা ছিলো ১৫/২০জন। তবু তারা তপুকে মারতে পারতো না। কিন্তু ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তপু পড়ে যায়। এসময় তার পেটে ছুরিকাঘাত করে জাহিদ।
জিসি / ০৪